Addddd-1

আমার বাচ্চার বাবা হবা..

Adddddd-2



ছবিতে ক্লিক করবেন না,অন্য কিছু পাবেন.

Adddd-3

### ✦ পর্ব ১ ✦

“আমার বাচ্চার বাবা হবা... কিন্তু আমি চাই না সেটা তুমি হও।”
বাক্যটা শুনে নিশাতের চোখ শুকিয়ে গেল, গলা শুকিয়ে গেল।
রিমার চোখে কোনো জল নেই, শুধু হিম শীতল দৃষ্টি।
একসময় যে কণ্ঠে ভালোবাসা ঝরত, আজ সেই কণ্ঠে বিষ মিশে আছে।
নিশাত জানে, এই মুহূর্তে তার পৃথিবী থেমে গেছে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ২ ✦

রিমা চুপচাপ ব্যাগটা কাঁধে তুলে নিল।
ঘরের কোণে পড়ে থাকা পুরোনো ছবিটা একবারও দেখে না।
নিশাত পেছন থেকে কিছু বলতে চেয়েও পারেনি।
বুকে কেমন চাপ ধরে আসে, কিন্তু শব্দ বেরোয় না।
শুধু দরজার শব্দ, আর তারপর নিস্তব্ধতা।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৩ ✦

রাত তিনটা, টেবিলে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কফির কাপ।
নিশাত ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকে — কোনো মেসেজ নেই।
রিমা হয়তো এখন অন্য কারও কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে।
এই ভাবনাটা তার ভেতরটা পুড়িয়ে দেয়, অথচ সে চুপ থাকে।
নিজেকে ঘৃণা করতে শিখে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৪ ✦

রিমার বন্ধুর কাছ থেকে খবর আসে — সে শহর ছেড়ে চলে গেছে।
নিশাত জানে, সে তাকে খুঁজতে যাবে না।
ভালোবাসা যদি কাউকে ধরে রাখার নয়, তবে ছেড়ে দিতেই হয়।
কিন্তু ছেড়ে দেওয়াটাই কি মুক্তি, নাকি শাস্তি?
তার বুকের ভেতর উত্তরটা গুমরে মরে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৫ ✦

সময়ের সঙ্গে সব নাকি ঠিক হয়ে যায় — কিন্তু মিথ্যে কথা সেটা।
প্রতিদিন সকালে আয়নায় নিজের মুখ দেখলে এখন লজ্জা লাগে।
যে মানুষটা একসময় ভালোবাসার প্রতীক ছিল,
আজ সে নিজের কাছেই অপরাধী।
রিমার মুখটা এখনও মস্তিষ্কে খোদাই হয়ে আছে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৬ ✦

একদিন হঠাৎ ডাক আসে — রিমা হাসপাতালে।
নিশাত ছুটে যায়, মনটা ভয় আর কৌতূহলে ভরা।
ওই ছোট্ট ঘরে শুয়ে আছে রিমা, নিস্তেজ মুখে।
চোখ খুলে তাকায়, ঠোঁটে একফোঁটা ব্যথার হাসি।
“দেখ, আমার বাচ্চার বাবা তুই না, কিন্তু ওর নাম রেখেছি তোর নামে।”
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৭ ✦

নিশাতের চোখ ভিজে আসে, কিন্তু রিমা মুখ ফিরিয়ে নেয়।
ডাক্তারের কণ্ঠ ভেসে আসে — মা আর সন্তান দু’জনই ভালো।
এই খবর শুনে বুকটা হালকা হয় না, বরং ভারী হয়।
কারণ এখন সে বুঝে যায়, ভালোবাসা হারালে মানুষ বেঁচে থাকে,
কিন্তু ভালোবাসার জায়গায় অপরাধবোধ থেকে যায় সারাজীবন।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৮ ✦

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে নিশাত সিগারেট ধরায়।
ধোঁয়ার ভেতর সে রিমার হাসি খোঁজে, পায় না।
রাতের বাতাসে কেমন এক হাহাকার বাজে।
সে বুঝে যায়, মানুষ কখনও পুরোটা হারায় না —
কিছু না কিছু সবসময় ভিতরে রয়ে যায়, পোড়াতে থাকে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ৯ ✦

বছর পেরিয়ে যায়, রিমার সন্তান এখন স্কুলে যায়।
নিশাত দূর থেকে দেখে, মুখটা তার নিজের মতোই।
সে কাছে যায় না, শুধু হেসে ফেলে — ব্যথাভরা একটা হাসি।
কখনও কখনও নিয়তি এমনভাবে খেলা করে,
যেখানে হার জিতের কোনো মানে থাকে না, শুধু স্মৃতি থাকে।
**Addddd**

---

### ✦ পর্ব ১০ ✦

এক বিকেলে পার্কে বসে নিশাত চুপচাপ আকাশ দেখে। 
বাতাসে ভেসে আসে বাচ্চাদের হাসির শব্দ।
তার চোখে জল আসে না, শুধু মৃদু একটা প্রশান্তি জেগে ওঠে।
সে জানে, কিছু সম্পর্কের শেষ নেই — শুধু রূপ পাল্টায়।
“আমার বাচ্চার বাবা হবা...” — সেই কণ্ঠটা এখন কেবল বাতাসে।
**Addddd**